সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

মোহাম্মদী ইসলামের কেন আগমন হয়েছিল?

 যখন আরব, অ-আরব, এশিয়া, ইউরোপসহ পুরো পৃথিবীর অবস্থা খুব খারাপ ছিল, মানুষে-মানুষ হানাহানি, অন্যায়-অবিচার, শোষণ খুব সাধারণ বিষয় ছিল, যখন মানুষ আল্লাহকে ভুলে শিরক ও পৌত্তলিকতায় লিপ্ত হয়ে পড়েছিল, যখন অশুভ শক্তির জয়জয়কার চলছিলো সর্বক্ষেত্রে, ঠিক এমনই এক যুগসন্ধিক্ষণে ঈসা (আ.) এর জন্মের ৫৭০ বছর পর মহানবি হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর আগমন হয়েছিল এই পৃথিবীতে। তিনি চল্লিশ বছর বয়সে নবুওয়ত প্রাপ্ত হয়ে আল্লাহর নির্দেশে ইসলামের সুমহান বাণী মানুষের মাঝে প্রচার করতে শুরু করেছিলেন। তিনি নবুওয়ত লাভের পূর্বে পবিত্র হেরা গুহায় সুদীর্ঘ ১৫ বছর ধ্যান সাধনায় নিয়োজিত ছিলেন। ইহকাল ও পরকালে মানুষের শান্তি নিশ্চিত করার জন্যই মোহাম্মদী ইসলামের উদ্ভব হয়েছিলো।



মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

মোহাম্মদী ইসলামের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কী?

 আমিত্ব ত্যাগ করে আল্লাহর কাছে পূর্ণ আত্মসমর্পনের মাধ্যমে পার্থিব জীবনে নিজেকে পরিচালিত করার নামই ইসলাম। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব হজরত মুহাম্মদ (সা.) মোহাম্মদী ইসলাম প্রবর্তন ও প্রচার করেছিলেন। এটাই হলো আল্লাহর মনোনীত শ্রেষ্ঠ ধর্ম। এই বিধানই বিশ্বনবি হজরত মুহাম্মদ (সা.) মানব জাতির শান্তি, মুক্তি ও কল্যাণের জন্য প্রচার করেছিলেন। পাঁচটি মৌলিক স্তম্ভের উপর প্রতিষ্ঠিত এই মোহাম্মদী ইসলামে রয়েছে মানব জাতির জন্য পরিপূর্ণ জীবন বিধান। সুরা আল ইমরানের ১৯ নং আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন, "নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য একমাত্র জীবন বিধান হলো ইসলাম।" কিভাবে একজন মানুষ তাঁর দৈনন্দিন জীবন পরিচালনা করবে, কিভাবে সে পাপকর্ম থেকে বিরত থেকে আত্মশুদ্ধি অর্জন করবে, কিভাবে মহান স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যমে ব্যক্তি জীবনে শান্তি লাভ করবে- এই সবকিছুই এতে সুস্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ রয়েছে। ইসলামের সামগ্রিক অর্থ হলো আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ। মহানবি (সা.) এর দেখানো এই আদর্শে পরিচালিত হওয়া ছাড়া বিকল্প কোনো পথ নেই। আমরা যদি সুরা আল ইমরানের ১০২ নং আয়াতের দিকে দৃষ্টিপাত করি,তাহলে এই বিষয়টি আমাদের কাছে আরো সু...

ফাতেহা শরীফ পাঠের নিয়ম কী?

ফাতেহা শরীফ পাঠের নিয়ম আপনি পার্থিব যাবতীয় চিন্তামুক্ত হয়ে খেয়াল ক্বাল্বের মাঝে ডুুবিয়ে দিয়ে আদব, ভক্তি, মহব্বত ও আজিজির সাথে নিম্নলিখিত নিয়মে ফাতেহা শরীফ পাঠ করবেন: (ক) ‘আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইত্বানির রাজীম’ - ১ বার; (খ) ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম’ - ১ বার বলে; ‘আস্তাগ ফিরুল্লাহা রাব্বি মিন কুল্লি জামবিউ ওয়াতুবু ইলাইহি’ - ৭ বার ; (গ) ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম’ - ১ বার বলে; ‘সূরা ফাতিহা’ - ৩ বার ; (ঘ) ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম’ - ১ বার বলে; ‘সূরা ইখলাস’ - ১০ বার ; (ঙ) ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম’ - ১ বার বলে; ‘দরুদে মাহ্দী’ অর্থাৎ নিম্নক্ত দরুদ শরীফ - ১১ বার পাঠ করবেন: اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ وَعَلَى الْإِمَامِ الْمَهْدِي رَحْمَةً لِّلْعَلَمِيْنَ وَآلِهِ وَسَلَّمْ [উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা সাল্লি 'আলা সাইয্যিদিনা মুহাম্মাদিউ ওয়া 'আলা ইমাম মাহ্দী রাহ্‌মাতাল্লিল 'আলামীনা ওয়া আলিহী ওয়া সাল্লিম ] অর্থ: “হে আল্লাহ্! রহমতের কামেলা নাজিল করুন আমাদের নেতা হজরত মুহাম্মদ (সা.) ও ইমাম মাহ্দী এবং তাঁদের পরিবার-পরিজন...
  গত ১৫/০১/২০২১, শুক্রবার দেওয়ানবাগ শরীফের বাবে রহমতে অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আয়োজিত সাপ্তাহিক আশেকে রাসুল (সা.) মাহফিলে দেওয়ানবাগ শরীফের প্রতিষ্ঠাতা ও স্বত্বাধিকারী, শ্রেষ্ঠ সংস্কারক, মোহাম্মদী ইসলামের পুনর্জীবনদানকারী, যুগের ইমাম, আম্বিয়ায়ে কেরামের ধর্মের দায়িত্ব ও বেলায়েত লাভকারী, আল্লাহর দেওয়া পুরস্কার : পূর্ণিমার চাঁদে বাবা দেওয়ানবাগীর জীবন্ত প্রতিচ্ছবি, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সূফী সম্রাট হযরত সৈয়দ মাহবুব-এ-খোদা দেওয়ানবাগী (রাহমতুল্লাহি আলাইহি) হুজুর কেবলাজানের ধারণকৃত ০৯/১০/২০২০ তারিখের বাণী মোবারক। =============================================== বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। আলহামদুলিল্লাহি নাহমাদুহু ওয়া নাসতাইনুহু ওয়া নাস্তাগফিরুহু ওয়া নাউযুবিল্লাহ মিন শুরুরি আনফুসিনা ওয়া মিন সাইয়্যিয়াতি আমালিনা মাইইয়াহদিল্লাহু ফালা মুদিল্লালাহু ওয়ামাই ইয়ুদলিল ফালান তাজিদালাহু ওয়ালিয়াম মোর্শেদা। সম্মানিত আশেকে রাসুলেরা! আপনারা আমার সালাম গ্রহণ করুন। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। বিভিন্ন কারণে আমরা একত্রে সম্মেলন করার সুযোগ পাচ্ছি না। আমাদের সম্মেলনে মহিলারা ...